সাদেক বাচ্চু (Sadek Bachchu) বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম খলঅভিনেতা। মঞ্চ ও টিভি নাটক থেকে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। ১৯৭৭-৭৮ সালে বিটিভির নিয়মিত শিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু করেন সাদেক বাচ্চু। বিটিভিতে তাঁর অভিনীত প্রথম নাটক ‘প্রথম অঙ্গীকার’। ১৯৮৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘রামের সুমতি’ চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় করেন তিনি। Continue reading
News Category:
পূর্ণিমা
চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা (Purnima) প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন ‘শত্রু ঘায়েল’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে। নায়িকা হিসেবে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ ছবির মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেন ১৯৯৮ সালে। এ সময় তিনি মাত্র নবম শ্রেণীতে পড়তেন। তার প্রথম ছবির নায়ক ছিলেন রিয়াজ। Continue reading
ডি এইচ চুন্নু
ডি এইচ চুন্নু, ভাতিজা চুন্নু নামেও পরিচিত দেলোয়ার হোসেন চুন্নু হলেন একজন ফাইট ডিরেক্টর। ফাইট ডিরেক্টর আরমান তার চাচা।
সাইফ খান কালু
সাইফ খান কালু একজন নৃত্য পরিচালক। আরেক গুণী নৃত্য পরিচালক মাসুম বাবুলের সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন। তার প্রথম নৃত্য পরিচালিত ছবি ঘায়েল।
মাসুম বাবুল
মাসুম বাবুল চার দশকের ক্যারিয়ারে ‘বেদের মেয়ে জোসনা’, ‘কোটি টাকার কাবিন’, ‘বিক্ষোভ’সহ বহু চলচ্চিত্রে নৃত্য পরিচালনা করেছেন। তিনি ১৯৯৩ সালে ‘দোলা’, ২০০৮ সালে ‘কি জাদু করিলা’, ও ২০১৮ সালে ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবির জন্য নৃত্য পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।
তিনি ২০২৩ সালের ৬ মার্চ সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ছয়টায় ঢাকার সিদ্দিক বাজারের নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন। তিনি দেড় বছর ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন। মাঝে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ২০২২ সালের অক্টোবরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। রাত ১১টার দিকে আজিমপুর গোরস্থানে সমাহিত করা হয় মাসুম বাবুলের মরদেহ।
এস এম আজহার
এস এম আজহার একজন চিত্রগ্রাহক। তিনি ‘মৌসুমী‘, ‘শেষ সংগ্রাম’ ছবির প্রধান সহকারী চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ‘চাচ্চু’, ‘দাদীমা’, ‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’ ছবির চিত্রগ্রহণ করেছেন।
রেবেকা
অভিনেত্রী রেবেকা বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন শিশুশিল্পী হিসেবে এবং পরবর্তীতে নায়িকা হন। বর্তমান সময়ে তিনি মা চরিত্রেই বেশী অভিনয় করেন। Continue reading
মুস্তাফা মেহমুদ
মুস্তাফা মেহমুদ একজন স্বনামধন্য চলচ্চিত্র পরিচালক। তিনি ১৯৬৬ সালে জহির রায়হানের ‘বেহুলা’ ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন। একক পরিচালনায় তার প্রথম ছবি ‘মোমের আলো’। তার পরিচালিত অন্যান্য ছবিগুলো হল ‘মায়ার সংসার’, ‘আদর্শ ছাপাখানা’, ‘নতুন প্রভাত’, ‘মানুষের মন’, ‘অবাক পৃথিবী’, ‘জয় পরাজয়’, ‘মধুমিতা’, ‘মাটির মানুষ’, ও ‘মণিহার’।
মেহমুদের জন্ম ১৯৩৬ সালের ১৬ জানুয়ারি মিরসরাইয়ের মিঠানালায়ে। তার সহধর্মিণী ফিরোজা মেহমুদ। তাদের দুই সন্তান। তিনি ২০১০ সালের ২১ জানুয়ারি ইন্তেকাল করেন।
শিবা সানু
শিবা সানু বাংলা চলচ্চিত্রের খল অভিনেতা। মাতৃভূমি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রযাত্রা শুরু হয়।
তার শিক্ষাগত যোগ্যতা রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বিএ (অনার্স)।