সাফি ইকবাল নামে জুটি বেঁধে চলচ্চিত্র পরিচালনা শুরু করলেও পরবর্তীকালে এককভাবে চলচ্চিত্র পরিচালনা করে সাফল্য অর্জন করেন সাফিউদ্দিন সাফি। দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর সহকারী হিসেবে তার চলচ্চিত্রকর্ম শুরু। তিনি ‘নিষ্ঠুর’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘গাদ্দারী’। এরপর তিনি ‘মেশিনম্যান’, ‘সাত খুন মাফ’, ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী’, ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী ২’ ছবি নির্মাণ করেন।
News Category:
ড্যানি সিডাক
ড্যানি সিডাক (Danny Sidak) আশি ও নব্বইয়ের দশকের অন্যতম প্রধান খলনায়ক অভিনেতা, প্রযোজক এবং পরিচালক।
ড্যানি চলচ্চিত্রে আসেন শহীদুল ইসলাম খোকনের হাত ধরে। ১৯৮৪ সালে লড়াকু চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার অভিষেক ঘটে। মার্শাল আর্ট অভিনেতা রুবেলের বিপরীতে অভিনয়ের জন্য খলনায়ক চরিত্রেও একজন মার্শাল আর্ট জানা অভিনেতার প্রয়োজন ছিল – ড্যানি সিডাক সেই প্রয়োজন পূরণ করেছেন, খলচরিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয় হয়েছেন। তবে ড্যানি সিডাক নায়ক হিসেবেও অভিনয় করেছেন।
ড্যানি সিডাক মনে করেন অশ্লীলতার জোয়ার শুরু হলে তার ক্যারিয়ারেরও ধ্বংস শুরু হয়। বন্ধুদের পরামর্শে তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা এবং পরিচালনা শুরু করেন। কিন্তু সেই চলচ্চিত্রগুলোও সাফল্য অর্জন করতে পারে নি। ড্যানি মনে করেন চলচ্চিত্র প্রযোজনা পরিচালনা তার জীবনের অন্যতম ভুল।
আঁচল
আঁচলের চলচ্চিত্রে আগমন ‘ভুল’ ছবি দিয়ে। সেই ছবিতে আঁচলের নাম ছিল আঁখি। অভিষেকেই সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন চিত্রনায়িকা হাসনাহেনা আঁখি আঁচল। কারণ তিনিই প্রথম কোন নবাগত নায়িকা যার পর পর দুই সপ্তাহে দুটি ছবি মুক্তি পেয়েছিল। তার দ্বিতীয় ছবি ছিল ‘বেইলি রোড’। ছবিগুলো খুব ব্যবসা না করলেও আঁচলের অভিনয় ও সুন্দর চেহারা খুব সহজেই দর্শকের নজর কাড়ে। Continue reading
শওকত আকবর
এইতো জীবন, আলোর পিপাসা, অভিশাপ, মিলন, সাগর, পুণম কি রাত, ওয়েটিংরুম, জংলী ফুল, অবুঝ মন, মোমের আলো, দিল এক মিশা প্রভৃতি ছবিতে অভিনয় করে স্মরণীয় হয়ে আছেন যে কিংবদন্তি অভিনেতা তার নাম শওকত আকবর (Shawkat Akbar)। ১৯৬৩ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত শওকত আকবর বাংলা ও উর্দু মিলিয়ে আড়াইশ’ ছবিতে অভিনয় করেন। Continue reading
রহমান
রহমান একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক। তিনি ১৯৫৮ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত ঢাকা, করাচি ও লাহোরে বাংলা, উর্দু ও পশতু ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত চলচ্চিত্রসমূহ হল ‘এ দেশ তোমার আমার’, ‘রাজধানীর বুকে’, ‘হারানো দিন’, ‘যে নদী মরুপথে’, ‘নতুন সুর’, ‘এইতো জীবন’, ‘নতুন দিগন্ত’, ‘জোয়ার ভাটা’ এবং ‘দেবদাস’।
রহমানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চগড়ের আটোয়ারিতে। তিনি ২০০৫ সালের ১৮ জুলাই মারা যান।
সুভাষ দত্ত
সুভাষ দত্তের জন্ম দিনাজপুরে মামা বাড়িতে। ১৯৩০ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি তার জন্ম। দিনাজপুরে ছিল তার মামার বাড়ি। বাবা মায়ের বাড়ি ছিল বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে। আঁতুড় ঘর থেকে পরবর্তী শৈশব-কৈশোর কেটেছে তার মামা বাড়িতে। সে অর্থে বাবার বাড়ি ছিল তার কাছে অনেকটাই অচেনা। মূলত লেখাপড়ার জন্যই তাকে মামার বাড়িতে রাখা হয়। Continue reading
খান আতাউর রহমান
বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার খান আতাউর রহমান ১৯২৮ সালের ১১ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। খান আতা নামে পরিচিত এই গুণীজন একাধারে সুরকার, গায়ক, সঙ্গীত পরিচালক, গীতিকার, প্রযোজক, সংলাপ রচয়িতা ও কাহিনীকার ছিলেন। তার কাজ বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রকে নানাভাবে সমৃদ্ধ করেছে। Continue reading
মুস্তাফিজ
মুস্তাফিজ (Mustafiz) তার বড় ভাই এহতেশামের পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলচ্চিত্রে আগমন করেন। পরিচালক হিসেবে তার প্রথম ছবি ‘হারানো দিন’, যা ঢালিউডের প্রথম সিলভার জুবিলি হিট ছবি।
তিনি ১৯৬২ সালে উর্দু ভাষার ‘তালাশ’ নির্মাণ করে বক্স অফিসে সফলতা অর্জন করেন। মুস্তাফিজের অন্যান্য ছবিগুলো হল উর্দু ভাষার ‘প্যায়সে’ (১৯৬৪), ‘মালা’ (১৯৬৫), ‘ছোটে সাহেব’ (১৯৬৭), ‘কুলি’ (১৯৬৮), ‘আনাড়ি’ (১৯৬৯), ‘পায়েল’ (১৯৭০) ও ‘মুন্না অউর বিজলী’ (১৯৭০)। ‘মুন্না অউর বিজলী’ ছবিটি বাংলা ভাষায় ‘বিজলী’ ও ‘বাবলু’ নামে পরিচিত। এচাড়া তার পরিচালিত বাংলা ভাষার ছবিগুলো হল ‘ডাক বাবু’, ‘একই অঙ্গে এত রূপ’ ও ‘আলো ছায়া’।