এস এম আজহার একজন চিত্রগ্রাহক। তিনি ‘মৌসুমী‘, ‘শেষ সংগ্রাম’ ছবির প্রধান সহকারী চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ‘চাচ্চু’, ‘দাদীমা’, ‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’ ছবির চিত্রগ্রহণ করেছেন।
News Category:
রেবেকা
অভিনেত্রী রেবেকা বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন শিশুশিল্পী হিসেবে এবং পরবর্তীতে নায়িকা হন। বর্তমান সময়ে তিনি মা চরিত্রেই বেশী অভিনয় করেন। Continue reading
মুস্তাফা মেহমুদ
মুস্তাফা মেহমুদ একজন স্বনামধন্য চলচ্চিত্র পরিচালক। তিনি ১৯৬৬ সালে জহির রায়হানের ‘বেহুলা’ ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন। একক পরিচালনায় তার প্রথম ছবি ‘মোমের আলো’। তার পরিচালিত অন্যান্য ছবিগুলো হল ‘মায়ার সংসার’, ‘আদর্শ ছাপাখানা’, ‘নতুন প্রভাত’, ‘মানুষের মন’, ‘অবাক পৃথিবী’, ‘জয় পরাজয়’, ‘মধুমিতা’, ‘মাটির মানুষ’, ও ‘মণিহার’।
মেহমুদের জন্ম ১৯৩৬ সালের ১৬ জানুয়ারি মিরসরাইয়ের মিঠানালায়ে। তার সহধর্মিণী ফিরোজা মেহমুদ। তাদের দুই সন্তান। তিনি ২০১০ সালের ২১ জানুয়ারি ইন্তেকাল করেন।
শিবা সানু
শিবা সানু বাংলা চলচ্চিত্রের খল অভিনেতা। মাতৃভূমি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রযাত্রা শুরু হয়।
তার শিক্ষাগত যোগ্যতা রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বিএ (অনার্স)।
মতিউর রহমান পানু
পরিচালক ও প্রযোজক মতিউর রহমান পানু ১৯৬৪ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন।
বিপাশা কবির
বিপাশা কবির (Bipasha Kabir) মিডিয়ায় আসেন লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় সেরাদের তালিকায় নাম লিখিয়ে। তবে চলচ্চিত্রে তিনি প্রবেশ এবং পরিচিত হয়ে উঠেন আইটেম গানে অভিনয়ের মাধ্যমে। চলচ্চিত্র ছাড়াও টিভি নাটকে অভিনয় এবং বিজ্ঞাপনে মডেলিং করেছেন বিপাশা। Continue reading
জাফর ইকবাল
চম্পা
চম্পা একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। চম্পার অভিনয় দক্ষতা ও ছবির ব্যবসায়িক সাফল্য তাঁকে চলচ্চিত্রে সাফল্য এনে দেয়। সামাজিক ও অ্যাকশন উভয় প্রকার সিনেমাতে তিনি অভিনয় করেছেন। কোন নির্দিষ্ট গন্ডিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখেননি। চম্পার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘তিন কন্যা‘। এতে তাকে তার বড় বোন সুচন্দা ও ববিতার সাথে দেখা যায়। এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তিনি ‘টার্গেট’ ও ‘লালদরজা’ ছবিতে অভিনয় করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজেকে মেলে ধরেছিলেন। চম্পার মূল বৈশিষ্ট্য গ্ল্যামার, ফ্যাশন সচেতনতা এবং পোষাকে বৈচিত্র্য। অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন ৫ বার : শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে ‘পদ্মানদীর মাঝি‘ (১৯৯৩), ‘অন্য জীবন‘ (১৯৯৫) ও ‘উত্তরের খেপ’ (২০০০) চলচ্চিত্রের জন্য; এবং পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে ‘শাস্তি‘ (২০০৫) ও ‘চন্দ্রগ্রহণ‘ (২০০৮) চলচ্চিত্রের জন্য।
চম্পার পুরো নাম গুলশান আরা আখতার। জন্ম ১৯৭০ সালের ৫ জানুয়ারি যশোরে। বাবা নিজামুদ্দীন আতাউব ছিলেন সরকারি চাকুরীজীবী এবং মা বি. জে. আরা ছিলেন ডাক্তার। তার বড় দুই বোন সুচন্দা ও ববিতা জননন্দিত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তাছাড়া রিয়াজ, ওমর সানী ও মৌসুমী তার আত্মীয়। তার স্বামী শহীদুল ইসলাম খান, মেয়ের নাম ইশা। চম্পার শিক্ষাগত আইএসসি।
সুমন ইমদাদ
সুমন ইমদাদ ‘এইতো ভালোবাসা’ ছবির গীতিকার।