আরিফুল হক একজন চলচ্চিত্র অভিনেতা। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবি হচ্ছে লালন ফকির, সারেং বউ, বড় বাড়ির মেয়ে, সূর্য কন্যা, সুন্দরী, সখি তুমি কার, কথা দিলাম, নতুন বউ, এখনই সময়, পিতা মাতা সন্তান, দেশপ্রেমিক, ঘৃণা, তোমাকে চাই, স্বপ্নের নায়ক ইত্যাদি।
News Category:
আমিন খান
চিত্রনায়ক আমিন খান তার বয়সের তুলনায় এখনো তরুণই রয়ে গেছেন। তার চেহারায় বিন্দুমাত্র বয়সের ছাপ পড়েনি। দেহাবয়বেও সে ধরনের কোনো পরিবর্তন আসেনি। মেদহীন শরীরে তিনি আগের মতোই প্রাণবন্ত রয়েছেন। Continue reading
আলী মনসুর
‘রূপবান’ ছবির রহিম খ্যাত অভিনেতা আলী মনসুর। তিনি চলচ্চিত্র পরিচালনা, চিত্রনাট্য ও গীত রচনার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তার পরিচালিত ছবিগুলো হল ফোক-ফ্যান্টাসি ধারার ‘মহুয়া’ ও নাটকীয় ধারার ‘জানাজানি’। এছাড়া তিনি ‘আমির সওদাগর ও ভেলুয়া সুন্দরী’ ছবির কাহিনি রচনা করেন।
আলীরাজ
অভিনেতা আলীরাজ (Aliraj) চলচ্চিত্রে আসেন নায়করাজ রাজ্জাকের হাত ধরে। ছেলেবেলায় সিরাজগঞ্জে থাকতেই বর্ণালী ক্লাবের সাথে অভিনয় শুরু করেন। এরপর কাজ করেছেন তরুণ সম্প্রদায়, দুর্বার, সংলাপ থিয়েটারে। ঢাকায় চলে আসার পর ঢাকা থিয়েটারে কাজ শুরু করেন। সেখানে তার সহ অভিনেতা ছিলেন হুমায়ূন ফরিদী, আফজাল হোসেন, সুবর্ণা মোস্তফা, রাইসুল ইসলাম আসাদের মত বড় অভিনেতারা। তারপর একদিন নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু-র ‘ভাঙনের শব্দ শুনি’ নাটকে অভিনয় করলেন, সেই নাটকের মাধ্যমে চোখে পড়লেন রাজ্জাকের। Continue reading
আলী যাকের
আলী যাকের ১৯৭২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন। ওই বছরেরই জুন মাসে তিনি নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ে যোগ দেন। তখন থেকে নাগরিকই তাঁর ঠিকানা। ‘বাকি ইতিহাস’, ‘সৎ মানুষের খোঁজে’, ‘দেওয়ান গাজীর কিস্সা’, ‘কোপেনিকের ক্যাপটেন’, ‘গ্যালিলিও’, ‘ম্যাকবেথ’সহ অনেক আলোচিত মঞ্চনাটকের অভিনেতা ও নির্দেশক তিনি।
‘আজ রবিবার’, ‘বহুব্রীহি’, ‘তথাপি’, ‘পাথর’, ‘দেয়াল’সহ বহু টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেও তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তিনি বেতারে ৫০টির বেশি নাটক করেছেন। এছাড়াও তিনি আগামী, নদীর নাম মধুমতী, লালসালু ও রাবেয়া চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
আলী যাকেরের জন্ম ১৯৪৪ সালের ১ নভেম্বর চট্টগ্রামে। চার ভাই-বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। তাঁর বাবা মোহাম্মদ তাহের ছিলেন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা। বাবার চাকরির বদলি সূত্রে অল্প বয়সে তিনি কুষ্টিয়া ও মাদারীপুরে কাটান।
তার স্ত্রী স্বনামধন্য অভিনয়শিল্পী সারা যাকের, ছেলে অভিনেতা ইরেশ যাকের, ছেলের বউ মিম রশিদ, নাতনি নেহা ও মেয়ে শ্রিয়া সর্বজয়া।
আলী যাকের ২০২০ সালের ২৭ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। বেশ কয়েক বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন আলী যাকের। সেই চিকিৎসার অংশ হিসেবে নিয়মিত থেরাপি চলছিল তাঁর। গত সপ্তাহে শারীরিক সমস্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। পরে কিছুটা সুস্থ হলে গত শনিবার বাসায় নেওয়া হয়। রোববার আবার ভর্তি করানো হয়। সোমবার কোভিড-১৯ টেস্ট করানো হয়। ফলাফল হাতে পেলে জানা যায়, তিনি কোভিড-১৯ পজিটিভ
আলমগীর কুমকুম
আলমগীর কুমকুম ১৯৬৮ সালে তার মামা পরিচালক ইআর খানের সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন। সহকারী পরিচালক হিসেবে তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘চেনা অচেনা’। এরপর তিনি ‘রূপবানের রূপকথা’ এবং ‘মধুবালা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন।
১৯৬৯ সালে আলমগীর কুমকুম চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তার নির্মিত চলচ্চিত্রসমূহের মধ্যে ‘স্মৃতিটুক থাক’, ‘আমার জন্মভূমি’, ‘গুন্ডা’, ‘মায়ের দোয়া’ অন্যতম। আলমগীর কুমকুম নির্মিত সর্বশেষ ছায়াছবি ‘জীবন চাবি’।
তিনি দীর্ঘ দিন ডায়াবেটিস ও কিডনির সমস্যায় ভুগে ২০১২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন। তাকে বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।
আলমগীর কবির
বাংলাদেশের মেধাবী নির্মাতাদের অনেকে এখনও বাণিজ্যিক ও শিল্পসম্মত চলচ্চিত্রের মুশকিল থেকে বের হতে পারেননি। যেটাকে তারা জীবনঘনিষ্ঠ ও শিল্পসম্মত বলে থাকেন, তা জনপরিসরে তেমন একটা সমাদর লাভ করেনি। বাংলাদেশী চলচ্চিত্রে জীবনঘনিষ্ঠতা বলতে কী বোঝায় তা গত চল্লিশ বছরে অব্যক্তই রয়ে গেছে। এসব দেখে যে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারেন, চলচ্চিত্রে জীবনঘনিষ্ঠতা বলতে আসলে কী বোঝায়। এই দোলাচলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অবস্থা না ঘরকা না ঘাটকা। কিন্তু বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের শুরু থেকে এই বিভাজন এত মোটা দাগে ছিল না। Continue reading
আলমগীর
চিত্রনায়ক আলমগীর (Alamgir) অভিনেতা হওয়ার অনেক আগে থেকেই চলচ্চিত্রের সাথে জড়িত। বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশের অন্যতম প্রযোজক ছিলেন তার পিতা তার পিতা কলিম উদ্দিন আহম্মেদ ওরফে দুদু মিয়া। আলমগীর আশি ও নব্বইয়ের দশকে দাপটের সঙ্গে কাজ করেছেন। পারিবারিক টানাপোড়েন, সামাজিক অ্যাকশন, রোমান্টিক অ্যাকশন, ফোক ফ্যান্টাসিসহ সব ধরনের চলচ্চিত্রে তিনি ছিলেন সফল। পরবর্তীকালে তিনি পরিচালনার সাথেও যুক্ত হন। Continue reading
আলেকজান্ডার বো
আলেকজান্ডার বো (Alekzandar Bo) বাংলাদেশী অ্যাকশন ঘরানার চলচ্চিত্রের অন্যতম অভিনেতা। ১৯৯৫ সালে শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত ‘লম্পট’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশী চলচ্চিত্রে তার যাত্রা শুরু হয়। Continue reading
আজাদী হাসানাত ফিরোজ
আজাদী হাসানাত ফিরোজ একজন চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার। তিনি পরিচালক দারাশিকো ও জহিরুল হকের সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্রে আসেন। এরপর সিদ্দিক জামাল নান্টুর সহকারী হিসেবে ‘রক্ত নিশান‘ এবং মতিন রহমানের সহকারী হিসেবে ‘চাঁদ কুমারী চাষার ছেলে‘ ও ‘আগুন জ্বলে‘ ছবিতে কাজ করেন।
তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কাজের মেয়ে’। এরপর তিনি ‘বউ শাশুড়ীর যুদ্ধ’, ‘ফুলের মত বউ’, ‘রঙিন রসের বাইদানী’, ‘ঘরের লক্ষ্মী’, ‘গ্রাম গঞ্জের পিরিতি’, ‘স্বামী নিয়ে যুদ্ধ’, ‘তুমি আমার মনের মানুষ’ চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
তার জন্ম ১৯৬৬ সালের ১ নভেম্বর পাবনার হাঙরাগাড়িতে। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা আইএ।