ইলিয়াস জাভেদ

নৃত্য পরিচালনা দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে আগমন করলেও ইলিয়াস জাভেদ পরবর্তী কালে অভিনেতা হিসেবে শতাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। তার অভিনীত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল ‘নিশান’।

ইলিয়াস কোবরা

তিনি একজন খলনায়ক। অন্যান্য খলনায়কদের সাথে তার পার্থক্য হল – তিনি আগাগোড়াই খলনায়ক, কখনো নায়ক ছিলেন না। তার আরেকটি পরিচয় হল – তিনি মার্শাল আর্ট জানা খলনায়ক। তিনি কোবরা, ইলিয়াস কোবরা – প্রায় পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রের খলনায়ক। Continue reading

ইলিয়াস কাঞ্চন

ইলিয়াস কাঞ্চন (Ilias Kanchan) বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের অন্যতম শক্তিমান অভিনেতা। ১৯৭৭ সালে বসুন্ধরা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন তিনি। চলচ্চিত্র অভিনেতা ছাড়াও তার দুটি পরিচয় হল চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং চলচ্চিত্র পরিচালক। Continue reading

ইরিন

অভিনেত্রী ইরিন (Irin) চলচ্চিত্রে আসেন সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত অনন্ত ভালোবাসা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। একই ছবিতে শাকিব খান প্রথম অভিনয় করেন। ইরিনের অন্য একটি পরিচয় হল তিনি চিত্রনায়িকা মৌসুমীর ছোট বোন। মজার তথ্য হল, মৌসুমীও সোহানুর রহমান সোহানের হাত ধরে কেয়ামত থেকে কেয়ামত চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে।

অভিনেত্রী হওয়ার আগে থেকেই ইরিন গান গাইতেন। মৌসুমী এবং ইরিনের মা রবীন্দ্রসংগীত গাইতেন। মায়ের হাতেই গানের হাতেখড়ি। মিক্সড অ্যালবামে ইরিন গানও গেয়েছেন। একক অ্যালবাম বের করার পরিকল্পনা চলছে বলে জানা গিয়েছে। অভিনয়ের পাশাপাশি ইরিন উপস্থাপনাও করেন।

ইবনে মিজান

বরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক ইবনে মিজান ১৯৬৫ সালে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তার প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্রের নাম ‘একালের রূপকথা’। তবে এর আগেই তিনি উর্দু ভাষায় ‘আওর গাম নেহী’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মান করেছিলেন যা মুক্তি পায় নি। ফোক ফ্যান্টাসী চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে তিনি অধিক পরিচিত ছিলেন। Continue reading

আহমেদ নাসির

আহমেদ নাসির একজন চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার। তিনি ‘বাংলার বাঘ’, ‘মনের সাথে যুদ্ধ’, ‘মায়ের জন্য মরতে পারি’, ‘মায়ের জন্য পাগল’ প্রভৃতি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন। তিনি এম এ খান সবুজের সাথে ‘মধু পূর্ণিমা’ চলচ্চিত্রের সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন।

আহমেদ শরীফ

আহমেদ শরীফ (Ahmed Sharif) একজন চলচ্চিত্র অভিনেতা। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করে তিনি সুনাম কুড়িয়েছেন।

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি আহমেদ শরীফ টেলিভিশনের জন্য কিছু নাটক-টেলিফিল্ম নির্মান করেন। ২০০১ সালে প্রথম নির্মাণ করেন টেলিফিল্ম ‘ক্ষণিক বসন্ত’। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য তিনি নির্মাণ করেন নাটক ‘ফুল ফুটে ফুল ঝরে’। দীর্ঘ আট বছর পর নাদের খানের প্রযোজনা ও রচনায় হাস্যরসাত্মক গল্পের এ নাটকের নাম ‘মাইরের ওপর ওষুধ নাই’।

রাজনৈতিক জীবনে আহমেদ শরীফ বিএনপি-পন্হী। দশম জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচন করার লক্ষ্যে তিনি তার এলাকা কুষ্টিয়ায় কাজও শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে আমার সম্পর্ক। এখনও সেই আদর্শ নিয়েই পথ চলছি। আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি, তবে মনোনয়ন দেয়ার এখতিয়ার সম্পূর্ণই দলের।’ উল্লেখ্য, তিনি জিসাসের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছিলেন।

আসিফ ইকবাল

আসিফ ইকবাল ১৯৯১-৯২ সালে বিএফডিসি আয়োজিত ‘নতুন মুখের সন্ধানে’র মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিনয়ে সম্পৃক্ত হন। ‘মহাগুরু’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে। এরপর তিনি ‘ঘর দুয়ার’, ‘দজ্জাল শাশুড়ি’, ‘কে আপন কে পর’, ‘একজন সঙ্গে ছিল’, ‘মুখোমুখি’, ‘নিষ্পাপ মুন্না’,  ‘ হুমকির মুখে’, ‘ রাস্তার ছেলে’, ‘ নষ্ট’, ‘ আমার স্বপ্ন আমার সংসার’, ‘ এক জবান’, ‘ নয়নের কাজল’, ‘ পিতা মাতার আমানত’সহ এক শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

আসিফের জন্ম ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭০ কুষ্টিয়া জেলায়। চলচ্চিত্রে যুক্ত হওয়ার আগে তিনি কুষ্টিয়ার জেলা ক্রিকেট টিমের মিডিয়াম পেস বোলার হিসেবে খেলতেন। তার স্ত্রী মাকসুদা আক্তার ও একমাত্র ছেলে আলিফ ইকবাল।

আবদুল্লাহ জহির বাবু

সালমান শাহ অভিনীত চলচ্চিত্র ‘তুমি আমার’ এর কাহিনীকার হিসেবে আবদুল্লাহ জহির বাবু চলচ্চিত্রাঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন। ছবিটির পরিচালক জহিরুল হক তারা বাবা, ফলে ছোটবেলা থেকেই তিনি চলচ্চিত্র সংক্রান্ত কর্মকান্ডের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ লাভ করেছিলেন।

তার রচিত কাহিনিতে এফ আই মানিক, মনতাজুর রহমান আকবর, শাহাদাৎ হোসেন লিটন, শাহীন সুমনদের মত পরিচালক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন।

আবদুল্লাহ জহির বাবু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে এম এ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তার প্রাক্তন স্ত্রীর নাম ফারজানা, ২০১৪ সালে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। তাদের দুটি সন্তান, একটি পুত্র এবং একটি কন্যা।