কৃষ্ণকলি ইসলাম

কাজী কৃষ্ণকলি ইসলাম হলেন একজন বাংলাদেশী সুরকার, সঙ্গীতশিল্পী ও গীতিকার।

কৃষ্ণকলির জন্মনাম ছিল কাজী শ্রাবন্তী ইসলাম। তিনি যখন ছোট তখন খুলনায় এক রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শান্তিদেব ঘোষ “কৃষ্ণকলি আমি তারে বলি” গানটি গেয়েছিলেন। সেখান থেকে তার মা মেহেরুননেসার নামটি ভালো লাগে এবং মেয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখেন কাজী কৃষ্ণকলি ইসলাম। কৃষ্ণকলি খুলনায় বেড়ে উঠেন। তার মা খুলনার একটি কলেজের বাংলার শিক্ষক। কৃষ্ণকলির পছন্দ ছিল রবীন্দ্র সঙ্গীত। তিনি সাধন ঘোষের কাছে রবীন্দ্র সঙ্গীত এবং বসুদেব বিশ্বাসের কাছে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তালিম নেন। পরে ১৯৯৮ সালে তিনি ছায়ানটে রবীন্দ্র সঙ্গীত বিভাগে ভর্তি হন এবং তিনি বছর রবীন্দ্র সঙ্গীতের তালিম নেন।

তিনি ২০০৭ সালে ‘সূর্যে বাঁধি বাসা’ অ্যালবাম দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০০৯ সালে তিনি এই অ্যালবামের “যাও পাখি” গানের জন্য সেরা গায়িকা বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার পান। ২০১১ সালে প্রকাশিত হয় তার দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ‘আলোর পিঠে আঁধার’। এরপর ‘বুনোফুল’ নামে আরও ‍একটি অ্যালবাম প্রকাশ করেন তিনি। ২০১৬ সালে তিনি তার চতুর্থ একক অ্যালবামের কাজ শুরু করলেও তা আর প্রকাশ পায়নি।

চলচ্চিত্রে তার প্রথম গান ‘মনপুরা’ ছবির “যাও পাখি বলো তারে”। নিজের লেখা ও সুর করা ওই গানটি গেয়েছিলেন চন্দনা মজুমদারের সাথে। এই গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি চন্দনা মজুমদারের সাথে যৌথভাবে প্রথমবারের মত শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এরপর তিনি ‘স্বপ্নজাল’ ছবির “মন পড়ে লো” গানের কথা লিখেছেন, সুর করেছেন এবং এই গানে কণ্ঠ দিয়েছেন।

 

বাবুল শরীফ

বাবুল শরীফ একজন প্রযোজনা ব্যবস্থাপক। তিনি ‘প্রেমযুদ্ধ’, ‘দীপু নাম্বার টু’, ‘মাটির ময়না’, ‘দারুচিনি দ্বীপ’, ‘মনপুরা’, ‘গেরিলা’ প্রভৃতি চলচ্চিত্রের ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেছেন।

শাহনাজ খান

শাহনাজ খান ‘মনপুরা’ ছবির কস্টিউম ডিজাইনার।

খন্দকার সাজিয়া আফরিন

খন্দকার সাজিয়া আফরিন একজন পোশাক পরিকল্পনাবিদ। তিনি ‘ফাগুন হাওয়ায়’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ পোশাক পরিকল্পনা ও সাজসজ্জা বিভাগে জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেন।

নাসরিন আখতার

নাসরিন আখতার একজন কস্টিউম ডিজাইনার। তিনি ‘মনপুরা’ ছবির পোশাক পরিকল্পনা করেছেন।