ফতেহ লোহানী

ফতেহ লোহানী একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, গীতিকার, অনুবাদক, লেখক ও সাংবাদিক। তিনি মঞ্চ নাটক থেকে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন। চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় করেন বিমল রায়ের পরিচালনায় হিন্দি চলচ্চিত্র ‘হামরাহী’-তে। দেশ ভাগের পূর্বে তিনি কলকাতায় ‘দুখে যাদের জীবন গড়া’ ও ‘মুক্তির বন্ধন’ ছবিতে অভিনয় করেন। দেশ ভাগের পর পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝিতে এফডিসি প্রতিষ্ঠার পর তিনি নাজির আহমেদের কাহিনী ও সংলাপ নিয়ে নির্মাণ করেন ‘আসিয়া’। তার পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্র হল ‘আকাশ আর মাটি’, ‘সাতরং’, ‘সমঝোতা’ (প্রামাণ্যচিত্র), ‘দি গেট ওয়ে টু ইস্ট পাকিস্তান’ (প্রামাণ্যচিত্র), ‘নবারুণ’ (প্রামাণ্যচিত্র)।

তার অভিনীত চলচ্চিত্রসমূহ হল ‘তানহা’ (উর্দু), ‘রাজা এলো শহরে’, ‘বেহুলা’, ‘ফির মিলেঙ্গে হাম দোনো’ (উর্দু), ‘আগুন নিয়ে খেলা’, ‘দরশন’ (উর্দু), ‘জুলেখা’, ‘এতটুকু আশা’, ‘বাল্যবন্ধু’, ‘মোমের আলো’, ‘মায়ার সংসার’, ‘প্রতিকার’, ‘মিশর কুমারী’, ‘তানসেন’, ‘আঁকাবাঁকা’, ‘অন্তরঙ্গ’, ‘ঘূর্ণিঝড়’, ‘স্বরলিপি’, ‘দর্পচূর্ণ’, ‘দীপ নেভে নাই’, ‘মহুয়া’, ‘পিতাপুত্র’, ‘অপবাদ’, ‘ডাকু মনসুর’, ‘অন্তরালে’, ‘জিঘাংসা’, ‘আলো তুমি আলেয়া’, ‘দুই রাজকুমার’, ‘এক মুঠো ভাত’, ‘কুয়াশা’, ‘শ্রীমতি ৪২০’, ‘অচেনা অতিথি’ প্রভৃতি।

তার জন্ম ১৯২৩ সালের ১১ মার্চ পশ্চিমবঙ্গে। তার পূর্ণ নাম আবু নজীর মোহাম্মদ ফতেহ আলী খান। অভিনেতা ফজলে লোহানী তার ভাই এবং সঙ্গীতশিল্পী হুসনা বানু খানম তার ছোট বোন। তিনি ১৯৭৫ সালের ১১ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

 

ব্যক্তিগত তথ্যাবলি

পুরো নাম আবু নজীর মোহাম্মদ ফতেহ আলী খান
ডাকনাম লেবু
জন্ম তারিখ মার্চ ১১, ১৯২৩
মৃত্যু তারিখ এপ্রিল ১২, ১৯৭৫
জন্মস্থান সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ

কর্মপরিধি