আবুল খায়ের বুলবুল

আবুল খায়ের বুলবুল একজন চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার। তিনি ‘মায়ের কান্না’, ‘হীরণপাশা’, ‘মীরজাফর’, ‘অগ্নি সন্তান’, ‘ক্ষমা নেই’, ‘অসীম শক্তি’, ‘জবাব দে’, ‘অবুঝ প্রেম’ প্রভৃতি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন।

হাবিব ওয়াহিদ

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সুরকার এবং সঙ্গীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ সকলের কাছে হাবিব নামেই পরিচিত। বিখ্যাত পপ শিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদের সুযোগ্য পুত্র হাবিব ওয়াহিদ অনেক হিট অ্যালবাম এবং গানের সুরকার। বাংলাদেশের লোকগীতি, বিশেষতঃ হাসন রাজা, শাহ আবদুল করিম প্রভৃতির গানকে আধুনিক সুর ও সঙ্গীতে নতুন গায়কীর মাধ্যমে সারাদেশে পরিচিত করে তুলেন হাবিব ওয়াহিদ।  চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালনায়ও তিনি সফলতা অর্জন করেন।  Continue reading

সোহেল খান

সোহেল খান (Sohel Khan) টিভি নাটকের মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে মিডিয়ার প্রায় সব শাখায়ই বিচরণ করেছেন এবং সফল হয়েছেন। নাটকে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন।

সোহেল খানের অভিনয় জীবনের শুরুটা খুব আনন্দদায়ক  ছিল না। জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত একটি নাটকে তিনি অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছিলেন। সে অভিনয় ছিল অন্যের দ্বারা প্রভাবিত এবং মেকি। অভিনয় পছন্দ না হওয়ায় হুমায়ূন আহমেদ তার সহকারীকে বলেছিলেন, ওকে শ্যুটিং থেকে বের করে দাও। সোহেল খান মনে করেন, তার মনে দাগ কেটে যাওয়া এই ঘটনাই তাকে ভালো অভিনেতা হতে উৎসাহিত করেছিল। তিনি এমন অভিনয় করতে চেয়েছিলেন যেন হুমায়ূন আহমেদ স্যার তার প্রশংসা করে এবং তিনি সফল হয়েছিলেন।

তবে অভিনেতা হিসেবে তার বর্তমান অবস্থানের পেছনে সোহেল খান মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর প্রতি সবচে বেশী কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন। কারণ তিনিই সোহেল খানকে নতুন নতুন চরিত্রে আবিষ্কার করেছেন আর এ সকল চরিত্রে তৈরী করে নেয়ার জন্য বয়সে ছোট মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর হাতে মারও খেতে হয়েছে সোহেল খানকে। তবে এজন্য তার আফসোস নেই, বরং বিনয়ের সাথে ফারুকীর এ অবদানকে স্বীকার করেন সোহেল খান।

তাহসান খান

তাহসান রহমান খান একজন স্বনামধন্য সঙ্গীতশিল্পী ও অভিনেতা। তিনি ‘যদি একদিন’ ও ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

শাহ আলম সরকার

শাহ আলম সরকার একজন গীতিকার ও সুরকার। তিনি ওস্তাদ আবুল সরকারের কাছে সঙ্গীতে তালিম নেন। তার গীত রচনায় উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল ‘চার সতীনের ঘর’, ‘মোল্লা বাড়ীর বউ’, ‘মমতাজ’, ‘বিন্দুর ছেলে’,’দজ্জাল শাশুড়ি’, ‘মনের সাথে যুদ্ধ’, ‘সাজঘর’, ‘ডাক্তার বাড়ি’, রিকশাওয়ালার প্রেম’, ‘পোড়ামন ২’, ‘গলুই’ প্রভৃতি।

তার রচিত উল্লেখযোগ্য গান হল “বান্ধিলাম পীরিতের ঘর”, “খড় কুটার এক বাসা বাধলাম”, “ফাইট্টা যায়”, “পাংচার হয়ে গেলে চলবে না আর গাড়ি” প্রভৃতি।

তার প্রকাশিত অ্যালবামের মধ্যে রয়েছে ‘মুনিরের ফাঁসি’, ‘মা বাবার দোয়া’, ‘নবীর প্রেম’, ‘খাজা বাবার জীবনী’, ‘খাজার বাংলা কাওয়ালী’, ‘গান কেন জায়েজ’, ‘কবরের আজাব’, ‘বাংলার নারী’ প্রভৃতি।

তার জন্ম ১৯৬৫ সালের ১ জানুয়ারি মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার কুড়িগাঁও গ্রামে।

জুলফিকার আলী ভুট্টো

জুলফিকার আলী ভুট্টো চলচ্চিত্র পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবরের সহকারী পরিচালক হিসেবে ‘বাবার আদেশ’, ‘ভয়ংকর বিষু’, ‘ভয়ংকর রাজা’ ছবিতে কাজ করেন।

তার জন্ম ১৯৬৭ সালের ২৮ অক্টোবর। তার বাবা মোঃ হাফিজার রহমান এবং মা সাহিদা বেগম।