সোহেল খান

সোহেল খান (Sohel Khan) টিভি নাটকের মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে মিডিয়ার প্রায় সব শাখায়ই বিচরণ করেছেন এবং সফল হয়েছেন। নাটকে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন।

সোহেল খানের অভিনয় জীবনের শুরুটা খুব আনন্দদায়ক  ছিল না। জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত একটি নাটকে তিনি অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছিলেন। সে অভিনয় ছিল অন্যের দ্বারা প্রভাবিত এবং মেকি। অভিনয় পছন্দ না হওয়ায় হুমায়ূন আহমেদ তার সহকারীকে বলেছিলেন, ওকে শ্যুটিং থেকে বের করে দাও। সোহেল খান মনে করেন, তার মনে দাগ কেটে যাওয়া এই ঘটনাই তাকে ভালো অভিনেতা হতে উৎসাহিত করেছিল। তিনি এমন অভিনয় করতে চেয়েছিলেন যেন হুমায়ূন আহমেদ স্যার তার প্রশংসা করে এবং তিনি সফল হয়েছিলেন।

তবে অভিনেতা হিসেবে তার বর্তমান অবস্থানের পেছনে সোহেল খান মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর প্রতি সবচে বেশী কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন। কারণ তিনিই সোহেল খানকে নতুন নতুন চরিত্রে আবিষ্কার করেছেন আর এ সকল চরিত্রে তৈরী করে নেয়ার জন্য বয়সে ছোট মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর হাতে মারও খেতে হয়েছে সোহেল খানকে। তবে এজন্য তার আফসোস নেই, বরং বিনয়ের সাথে ফারুকীর এ অবদানকে স্বীকার করেন সোহেল খান।

তাহসান খান

তাহসান রহমান খান একজন স্বনামধন্য সঙ্গীতশিল্পী ও অভিনেতা। তিনি ‘যদি একদিন’ ও ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

শাহ আলম সরকার

শাহ আলম সরকার একজন গীতিকার ও সুরকার। তিনি ওস্তাদ আবুল সরকারের কাছে সঙ্গীতে তালিম নেন। তার গীত রচনায় উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল ‘চার সতীনের ঘর’, ‘মোল্লা বাড়ীর বউ’, ‘মমতাজ’, ‘বিন্দুর ছেলে’,’দজ্জাল শাশুড়ি’, ‘মনের সাথে যুদ্ধ’, ‘সাজঘর’, ‘ডাক্তার বাড়ি’, রিকশাওয়ালার প্রেম’, ‘পোড়ামন ২’, ‘গলুই’ প্রভৃতি।

তার রচিত উল্লেখযোগ্য গান হল “বান্ধিলাম পীরিতের ঘর”, “খড় কুটার এক বাসা বাধলাম”, “ফাইট্টা যায়”, “পাংচার হয়ে গেলে চলবে না আর গাড়ি” প্রভৃতি।

তার প্রকাশিত অ্যালবামের মধ্যে রয়েছে ‘মুনিরের ফাঁসি’, ‘মা বাবার দোয়া’, ‘নবীর প্রেম’, ‘খাজা বাবার জীবনী’, ‘খাজার বাংলা কাওয়ালী’, ‘গান কেন জায়েজ’, ‘কবরের আজাব’, ‘বাংলার নারী’ প্রভৃতি।

তার জন্ম ১৯৬৫ সালের ১ জানুয়ারি মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার কুড়িগাঁও গ্রামে।

জুলফিকার আলী ভুট্টো

জুলফিকার আলী ভুট্টো চলচ্চিত্র পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবরের সহকারী পরিচালক হিসেবে ‘বাবার আদেশ’, ‘ভয়ংকর বিষু’, ‘ভয়ংকর রাজা’ ছবিতে কাজ করেন।

তার জন্ম ১৯৬৭ সালের ২৮ অক্টোবর। তার বাবা মোঃ হাফিজার রহমান এবং মা সাহিদা বেগম।

শহিদ

শহিদ একজন অঙ্গসজ্জাকার।

আসাদুজ্জামান মজনু

আসাদুজ্জামান মজনু একজন চিত্রগ্রাহক। চিত্রগ্রাহক জেড এইচ মিন্টুর সহকারী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়। মিন্টুর প্রধান সহকারী চিত্রগ্রাহক হিসেবে তিনি ‘লাভ‘ ও ‘জনম দুখী‘ ছবিতে কাজ করেছেন। তার চিত্রায়িত প্রথম চলচ্চিত্র ‘খুনের বদলা’। এরপর তিনি ‘আসামী গ্রেফতার’, ‘দমকা’, ‘কাল নাগিনীর প্রেম’, ‘রুস্তম’, ‘বাস্তব’, ‘ফায়ার’, ‘রাঙা বউ’, ‘ভয়’, ‘কঠিন বাস্তব’, ‘মিলন মালার প্রেম’, ‘প্রিয়া আমার প্রিয়া’ প্রভৃতি চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণ করেছেন।

তিনি ‘রোহিঙ্গা’ ছবির চিত্রগ্রহণের জন্য সেরা চিত্রগ্রাহক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

মজনুর জন্ম ১৯৬৪ সালের ২০ জুন শেরপুরের সদর থানার বড় ঝাউয়ের চর গ্রামে।

সাইফ চন্দন

সাইফ চন্দন একজন অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।