প্রযোজক পরিচালক সাইদুর রহমান মানিক ১৯৮৪ সালে পরান পাখি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রযোজনা ও পরিচালনা শুরু করেন। তিনি পেশায় একজন আইনজীবি এবং বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট বার এসোসিয়েশনের সদস্য। তার প্রযোজনা সংস্থার নাম বিশাল কর্পোরেশন।
News Category:
এম আর মামুন
এম আর মামুন ‘মানিক রতন দুই ভাই’ ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন।
এস ডি বাবুল
এস ডি বাবুল একজন চিত্রগ্রাহক। তিনি চিত্রগ্রাহক হারুন-আল-রশিদ ও মোজাফ্ফর হোসেনের সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্রে আগমন করেন। প্রধান চিত্রগ্রাহক হিসেবে তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘হত্যা’। এরপর তিনি ‘নাজায়েজ’, ‘কঠিন শাস্তি’, ‘ঠাণ্ডা মাথার খুনী’, ‘ভাড়াটে খুনী’, ‘প্রেমিকা ছিনতাই’, ‘খুনী বউ’, ‘বউয়ের জ্বালা’, ‘আজকের সমাজ’, ‘স্বপ্নের বিদেশ’, ‘নীতিবান পুলিশ অফিসার’, ‘ওরা নিষিদ্ধ’ প্রভৃতি চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণ করেছেন।
বাবুলের জন্ম ১৯৬৩ সালের ৯ মার্চ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের রতিরামপুর গ্রামে। তার আসল নাম শামসুদ্দোহা বাবুল।
আব্দুল হক
আব্দুল হক একজন রূপসজ্জাকার। তিনি ‘মানিক রতন দুই ভাই’ ছবিতে কাজ করেছেন।
এম এ সালাম
এম এ সালাম ‘ভালোবাসা আজকাল’ ছবির সম্পাদনা করেন।
আলী আকবর রুপু
আলী আকবর রুপু একজন সঙ্গীত পরিচালক। তিনি ‘বাদশা ভাই এল এল বি’, ‘দরিয়া পাড়ের দৌলতী’, ‘লাল টিপ’, ‘দুই বেয়াইয়ের কীর্তি’ ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন।
ফয়সাল খান
ফয়সাল খান ‘আগুন আমার নাম’ ও ‘বাদশা ভাই এলএলবি’ ছবিতে অভিনয় করেছেন।
জিনিয়া
চিত্রনায়িকা জিনিয়া চলচ্চিত্রে আসেন নৃত্যশিল্প থেকে। মৃদঙ্গ নৃত্য সংগঠনের সদস্য এই নৃত্যশিল্পী দেশে বিদেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশনও করেছেন। ২০০৪ সালে রুবেলের বিপরীতে ‘প্রেমিকা ছিনতাই’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্র জীবন শুরু হয়। তখন ঢালিউডে নতুন মুখ আসছিল, তবে সেই সময়ে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি বেশ কঠিন একটা সময় পার করছিল – অশ্লীলতার প্রবল দাপট চলছিল।
জিনিয়া পরবর্তীতে রুবেল, শাহিন আলম, মেহেদী, আলেকজান্ডার বো’র সঙ্গে ‘তল্লাশী’, ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার’, ‘বাদশা ভাই এলএলবি’, ‘ভালবাসার মানুষ’, ‘নিষিদ্ধ রাস্তা’ ছবিতে অভিনয় করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এসব ছবির অনেকগুলোতেই অশ্লীল দৃশ্যের প্রাধান্য ছিল। ফলে তিনি দর্শক ও সমালোচকদের কাছে তেমনভাবে গ্রহণযোগ্যতা পাননি।
২০০৬ – ২০০৭ সাল থেকে যখন সরকারিভাবে অশ্লীলতা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং সেন্সর বোর্ড কঠোর হয়, তখন এ ধরনের সিনেমার বাজার একেবারে ভেঙে পড়ে। ফলে জিনিয়া চলচ্চিত্র থেকে হারিয়ে যান।
চলচ্চিত্রে অভিনয় ছাড়াও তিনি টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত টিভি নাটকের মধ্যে ‘ঈদের শাড়ি’, ‘তালগাছ আমার’, ‘সাপুড়ে’, ‘অধরা’, ‘ভালো যোগ বাসা’, ‘পাগল পাগল মানুষগুলো’ ইত্যাদি অন্যতম। বর্তমানে তিনি নিজের প্রতিষ্ঠান জিনিয়া একাডেমী এবং নৃত্য নিয়েই ব্যস্ত।