ডঃ ইনামুল হক

পারিবারিক জীবনে ইনামুল হকের সংসারও নাট্যকর্মীতে ভরপুর। তার স্ত্রী লাকি ইনাম নাট্যজগতের পুরাতন এবং জনপ্রিয় কর্মী, অভিনেত্রী। তাদের দুই মেয়ে হৃদি হক এবং প্রীতি হক এবং তাদের স্বামী যথাক্রমে লিটু আনাম এবং সাজু খাদেম।

ইকবাল বাবু

ইকবাল বাবু ‘জয়যাত্রা’, ‘রূপকথার গল্প’, ‘হরিজন’ ছবিতে অভিনয় করেছেন।

আহসানুল হক মিনু

আহসানুল হক মিনু একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং দাপুটে অভিনেতা। ১৯৭১ সালে সাত নম্বর সেক্টরে মেজর কাজী নুরুজ্জামানের অধীনে থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

ধারাবাহিক নাটকে মিনুকে প্রথম দেখা যায় ‘রঙ্গের মানুষ’-এ। চলচ্চিত্রে মিনুর প্রথম দেখা মিলে ‘শহর থেকে দূরে’-তে। এরপর ‘হাতকড়া’ ও ‘ফুলের মালা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। তারপর মঞ্চে কাজের প্রতিই বেশি আগ্রহ থাকায় সিনেমায় আর নিয়মিত সময় দেয়া হয়ে উঠেনি তার। তবে পরে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ চলচ্চিত্রে গণমা চরিত্রে অভিনয় করে বেশ আলোচনায় আসেন মিনু। এরপর তাকে দেখা যায় ‘বাঙলা’, ‘মনের মানুষ’, ‘অপেক্ষা’, ‘মনপুরা’, ‘আয়না কাহিনী’, ‘কাতুর্জ’ চলচ্চিত্রে।

সুজেয় শ্যাম

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ও বরেণ্য সুরকার সুজেয় শ্যাম । তিনি ‘হাসন রাজা’, ‘জয়যাত্রা’, ‘অবুঝ বউ’ ও ‘যৈবতী কন্যার মন’ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি চারবার শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছেন। তার সুরকৃত উল্লেখযোগ্য গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি, ‘রক্ত চাই রক্ত চাই, ‘আহা ধন্য আমার জন্মভূমি, ‘আয় রে চাষি মজুর কুলি, ‘মুক্তির একই পথ সংগ্রাম, ‘শোন রে তোরা শোন’ প্রভৃতি।

সুজেয় শ্যাম ১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

অনুপ মুখোপাধ্যায়

অনুপ মুখোপাধ্যায়, যিনি অনুপ মুখার্জী নামেও পরিচিত, হলেন একজন শব্দগ্রাহক ও শব্দ পুন:সংযোজক।