শমসের আলী একজন রূপসজ্জাকার। তিনি ঢালিউডের প্রথম সবাক বাংলা চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ এ রূপসজ্জাকার হিসেবে কাজ করেন। এরপর তিনি ‘এ দেশ তোমার আমার’, ‘আসিয়া’, ‘রাজধানীর বুকে’, ‘কখনো আসেনি’, ‘সুতরাং’ প্রভৃতি চলচ্চিত্রে কাজ করেন।
News Category:
তালাত মাহমুদ
ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম সেরা পুরুষ অ-শাস্ত্রীয় ও অর্ধ-শাস্ত্রীয় গায়করূপে বিবেচিত তালাত মাহমুদ মূলত হিন্দি চলচ্চিত্রের গানে প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবে পরিচিত।
কে. জি. মোস্তফা
‘তোমারে লেগেছে এতো যে ভালো চাঁদ বুঝি তা জানে’ এবং ‘আয়নাতে ওই মুখ দেখবে যখন’ কালজয়ী গান দুটির গীতিকার কে জি মোস্তফা। তিনি একাধারে গীতিকার, সাংবাদিক ও কলামিস্ট।
১৯৩৭ সালের ১ জুলাই নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন কে জি মোস্তফা। তিনি ১৯৬০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। দৈনিক ইত্তেহাদে ১৯৫৮ সালে শিক্ষানবিশ হিসেবে সাংবাদিকতায় যোগ দেন তিনি।
১৯৭৬ সালে তিনি বিসিএস (তথ্য) ক্যাডারভুক্ত হন এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সহকারী সম্পাদক পদে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে সিনিয়র সম্পাদক (যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদা) হিসেবে অবসর নেন।
খ্যাতিমান এই গীতিকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গীত বিভাগ কৃর্তক পদক ‘দেশবরেণ্য গীতিকার’ পদকসহ আরো বহু পদকে ভূষিত হয়েছেন।
২০২২ সালের ৮ মে রবিবার রাত ৮টার দিকে আজিমপুরে নিজ বাসায় অসুস্থবোধ করলে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কে জি মোস্তফার ছেলে মাহমুদুল হাসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগছিলেন। আজিমপুর কবরস্থানে তার মরদেহের দাফন হয়।
পাভেল অরিন
পাভেল অরিন একজন সঙ্গীত পরিচালক ও সুরকার। তিনি ‘আয়নাবাজি’, ‘ডুব’, ‘কমলা রকেট’ প্রভৃতি চলচ্চিত্রের সঙ্গীতায়োজন করেছেন।
মোঃ কালাম
মোঃ কালাম একজন চলচ্চিত্র সম্পাদক।
নদী
নদী একজন সঙ্গীতশিল্পী। তার পুরো নাম মৌমিতা তাশরিন নদী।
মেহেদী হাসান পিয়াল
মেহেদী হাসান পিয়াল চলচ্চিত্রে কৌতুক চরিত্রে অভিনয় করে থাকেন। তিনি ‘পোড়ামন ২’, ‘দহন’, ‘শান’, ‘সুড়ঙ্গ’ প্রভৃতি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।