← মার্ডার ২

ট্রিভিয়া

  1. পরিচালক এম এ রহিম ২০০৩ সালে ‘মার্ডার’ নামে একটি বাংলাছবি পরিচালনা করেন। যেখানে নায়ক হিসেবে ছিলেন স্বাধীন। দীর্ঘ ১০ বছর পর তিনি এ ছবির সিক্যুয়াল নির্মাণ করেন।
  2. মার্ডার ২ চলচ্চিত্রে শ্রাবন শাহ-কে অভিনয়ের প্রস্তাব দেয়া হলে তিনি না করে দেন। এ প্রসঙ্গে শ্রাবন শাহ জানান প্রয়োজনে তিনি বছরে তিন থেকে চারটা ছবি করবেন কিন্তু অশ্লীল চলচ্চিত্রে নয়।
  3. ছবিটি ঈদে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও মুক্তি পায় নি। এ প্রসঙ্গে প্রযোজক আবদুল আলীম বলেন ‘আমরা এবারের ঈদেই মার্ডার টু সিনেমাটি মুক্তি দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু হল বুকিং এজেন্সির কারসাজির কারণে তা সম্ভব হয়নি। সাধারণত বুকিং এজেন্সি প্রতিটি সিনেমার জন্য প্রেক্ষাগৃহের মালিকদের কাছ থেকে বুকিং নেওয়া বাবদ প্রতি লাখে দশ হাজার টাকা করে কমিশন নেয়। সেই হিসেবে শাকিব খানের যে কোনো ছবির জন্য বুকিং মানি তিন লাখ টাকা হওয়ায় বুকিং এজেন্সি একটি ছবির জন্য পেয়ে থাকে ত্রিশ হাজার টাকা করে। আর অন্যদের ছবির বুকিং মানি এক লাখ টাকা করে। সেক্ষেত্রে বুকিং এজেন্সির থাকে দশ হাজার টাকা। লাভ লোকশানের হিসেব করতে গিয়ে নবাগত বা তরুণ অভিনয় শিল্পীদের ছবিগুলো পাত্তা পাচ্ছে। আসলে শাকিব খান ছাড়া অন্যদের নিয়ে ছবি করলে বুকিং এজেন্সির কারসাজির কারণে তা মুক্তি দিতে বেগ পেতে হয়। আমার এই ছবিটির ক্ষেত্রেও বুকিং এজেন্সি কারসাজি করায় ঈদে ছবিটি মুক্তি দিতে পারিনি।’