কাহিনী সংক্ষেপ
গ্রাম্য জোতদার হাসান চৌধুরীর একমাত্র মেয়ে প্রীতি তাদের বাড়িতে আশ্রিত আয়ার ছেলে সুজনের সাথে খেলে, অভিমান করে আবার ভাঙে। প্রীতি সুজনকে তার প্রিয় বন্ধু মনে করে আর সুজন মনে মনে প্রীতিকে ভালোবাসে। প্রীতি শহরে তার কলেজের সহপাঠী মুন্নাকে ভালোবাসে আর মুন্না প্রীতিকে বন্ধু মনে করে। মুন্না ভালোবাসে তমাকে। আর তমার বাবা তমার বিয়ে ঠিক করে তার এক নির্বাচিত পাত্রের সাথে। মুন্না যেদিন তমাকে ভালোবাসার কথা বলতে যায়, সেদিন প্রীতি মনে করে মুন্না তাকে ভালোবাসার কথা বলবে। কিন্তু মুন্নার মুখে শুনতে পায় মুন্না তমাকে ভালোবাসে। প্রীতির মন ভেঙে যায়। মুন্না তমাকে ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে শুনতে পায় তমার বিয়ে; তার বাবা বিয়ে ঠিক করেছেন এবং বাবার নির্দেশ পালন করতে তমা ওয়াদাবদ্ধ। মুন্নার মন ভেঙে যায়। মুন্না তার প্রিয় বন্ধু প্রীতিকে মন ভাঙার কথা বলতে গিয়ে শুনতে পায় প্রীতি তাকে ভালোবাসতো এবং সেই ভালোবাসা না পেয়ে প্রীতির মন ভেঙে গেছে এবং সেই দুঃখে প্রীতি তাদের বাড়িতে চলে গেছে। প্রীতি বাড়ীতে ফিরে তার প্রিয়বন্ধু সুজনকে খুঁজতে গিয়ে জানতে পারে সুজন প্রীতিকে ভালোবাসে এবং সেই অপরাধে বাবা হাসান চৌধুরী সুজনকে ঘর থেকে তাড়িয়ে দিয়ে বলেছেন যদি কোনদিন কোটি টাকা উপার্জন করে আসতে পার তবে সুজনের সাথে প্রীতির বিয়ে হবে এবং সুজন সেই প্রতিজ্ঞা নিয়ে গ্রাম ছেড়েছে। তমার বিয়ের দিন ছিনতাইকারীরা টাকা লুট করতে গিয়ে বাবাকে খুন করে। তমার বিয়ে ভেঙে যায়। সুজন টাকা উপার্জন করতে এসে তমাদের মিলে কাজ পায়। এদিকে মুন্নার সাথে প্রীতির বিয়ে ঠিক করে মুন্নার বাবা, মুন্না খুশী হয়। কিন্তু প্রীতি এই বিয়ে মেনে নেয় না; সে সুজনের আশায় বসে থাকে। সুজন টাকা উপার্জন করে তমাকে নিয়ে যখন ফিরে আসে, তখন হাসান এই বিয়ে অস্বীকার করে। শুরু হয় সংঘাত।
রিভিউ লিখুন
রিভিউ লিখতে আপনাকে অবশ্যই প্রবেশ করতে হবে।